তৃণমূলের আস্থায় আব্দুর রহিম ভূঁইয়া।
সাংগঠনিক তৎপরতা ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে আলোচনায় ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ছাত্রদলের এই নেতা।

তৃণমূলের আস্থায় আব্দুর রহিম ভূঁইয়া
নিজস্ব প্রতিবেদক | ঢাকা
তৃণমূল নেতাকর্মীদের মূল্যায়ন, সাংগঠনিক কার্যক্রমে সক্রিয়তা এবং সামাজিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ—বিভিন্ন বিষয় ঘিরে আলোচনায় রয়েছেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহিম ভূঁইয়া। সংগঠনের মাঠপর্যায়ের নেতাকর্মীদের সক্রিয় রাখা, তাঁদের মতামতকে গুরুত্ব দেওয়া এবং সাংগঠনিক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করার বিষয়গুলো তাঁর সাংগঠনিক ভূমিকার ক্ষেত্রে গুরুত্ব পাচ্ছে। রাজনৈতিক সংগঠনের শক্তিশালী ভিত্তি গড়ে তুলতে তৃণমূল নেতাকর্মীদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাঁদের শ্রম, ত্যাগ ও সাংগঠনিক অবদান যথাযথভাবে মূল্যায়ন করা হলে সংগঠনের কার্যক্রম আরও গতিশীল হতে পারে। এ ক্ষেত্রে তৃণমূলের সঙ্গে যোগাযোগ বজায় রাখা এবং নেতাকর্মীদের সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত রাখার বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচিত হচ্ছে। গত ২৮ অক্টোবর ২০২৬ রাজধানীর ডেমরা থানা ছাত্রদলের কর্মীসভায় প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আব্দুর রহিম ভূঁইয়া। ওই কর্মীসভায় তাঁর বক্তব্য সাংগঠনিক কার্যক্রমে তাঁর সম্পৃক্ততার একটি উদাহরণ। তৃণমূল পর্যায়ে সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করা এবং নেতাকর্মীদের সক্রিয় ভূমিকার বিষয়টি এ ধরনের কর্মসূচিতে বিশেষ গুরুত্ব পায়। সাংগঠনিক কার্যক্রমের পাশাপাশি সামাজিক কর্মকাণ্ডেও তাঁর অংশগ্রহণের তথ্য সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। ২০২৬ সালের জুনে রাজধানীর ওয়ারী এলাকায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক প্রচার ও পরিচ্ছন্নতা অভিযানে তাঁর উদ্যোগের কথা জানা যায়। ওই কর্মসূচিতে স্থানীয় ছাত্রদলের নেতাকর্মীরাও অংশ নেন। জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং সামাজিক কর্মকাণ্ডে সংগঠনের অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে এ ধরনের উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ। এদিকে, সাংগঠনিক পদ থেকে তাঁর অব্যাহতির আদেশ প্রত্যাহারের ঘটনাও কাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, পরবর্তী সময়ে কেন্দ্রীয় সংসদ তাঁর অব্যাহতির আদেশ প্রত্যাহার করে। এ ঘটনাকে ঘিরে তাঁর সাংগঠনিক অবস্থান ও কার্যক্রম নিয়ে আলোচনা তৈরি হয়। রাজনৈতিক অঙ্গনে একজন নেতার সাংগঠনিক সক্ষমতা শুধু পদ-পদবির মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; বরং তৃণমূলের সঙ্গে যোগাযোগ, নেতাকর্মীদের মূল্যায়ন এবং মাঠপর্যায়ে সংগঠনের কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়ার মধ্য দিয়েও তা প্রতিফলিত হয়। তৃণমূলের আস্থা অর্জন ও সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে ধারাবাহিকতা বজায় রাখা যেকোনো রাজনৈতিক নেতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। আব্দুর রহিম ভূঁইয়ার সাংগঠনিক ভূমিকার ক্ষেত্রেও তৃণমূল নেতাকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ, কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ এবং সামাজিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ততার বিষয়গুলো গুরুত্ব পাচ্ছে। ভবিষ্যতে তাঁর সাংগঠনিক উদ্যোগ ও কার্যক্রমের মাধ্যমে তৃণমূল নেতাকর্মীদের প্রত্যাশা কতটা প্রতিফলিত হয়, তা-ই হবে তাঁর রাজনৈতিক পথচলার অন্যতম বিবেচ্য বিষয়।
প্রতিবেদনটি ভালো লাগলে বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন
ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ বা এক্সে দ্রুত শেয়ার করতে ক্লিক করুন

