দয়াগঞ্জ-ওয়ারীতে সাদিক কায়েমের ডেঙ্গু সচেতনতা কর্মসূচি
রাজধানীর দয়াগঞ্জ ও ওয়ারীতে ডেঙ্গু সচেতনতামূলক কর্মসূচি পালন করেছেন ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম। কর্মসূচিতে ডেঙ্গু প্রতিরোধ, মশার প্রজননস্থল ধ্বংস ও পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার বিষয়ে সচেতনতা তৈরির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

দয়াগঞ্জ-ওয়ারীতে সাদিক কায়েমের ডেঙ্গু সচেতনতা কর্মসূচি
নয়া দুনিয়া প্রতিবেদক:
রাজধানীর দয়াগঞ্জ ও ওয়ারী এলাকায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতামূলক কর্মসূচি পালন করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা মহানগর দক্ষিণের মেয়র প্রার্থী সাদিক কায়েম। বুধবার (১৪ অক্টোবর) অনুষ্ঠিত এ কর্মসূচিতে ডেঙ্গুর বিস্তার রোধ, মশার প্রজননস্থল ধ্বংস এবং পরিচ্ছন্ন পরিবেশ বজায় রাখার বিষয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের সচেতন করা হয়।
কর্মসূচিতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর স্থানীয় নেতা কামরুল ইসলাম, গোলাম আজমসহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন। এ সময় তাঁরা ডেঙ্গুর ঝুঁকি, এর বিস্তার রোধে করণীয় এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন।
ডেঙ্গু প্রতিরোধে সম্মিলিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্ব
কর্মসূচিতে উপস্থিত নেতাকর্মীরা বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে শুধু মশক নিধন কার্যক্রম পরিচালনা করলেই হবে না; পাশাপাশি নাগরিকদের সচেতনতা বাড়াতে হবে। বাসাবাড়ি, ছাদ, বারান্দা, নর্দমা ও আশপাশে পানি জমতে না দেওয়া এবং নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তাঁরা।
তাঁদের মতে, এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করতে ব্যক্তি, পরিবার ও সমাজের সম্মিলিত উদ্যোগ জরুরি। একই সঙ্গে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিয়মিত কার্যক্রম এবং জনসাধারণের সহযোগিতা প্রয়োজন।
পরিচ্ছন্ন ও পরিকল্পিত ঢাকা গড়ার প্রত্যাশা
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা মহানগর দক্ষিণের মেয়র প্রার্থী হিসেবে সাদিক কায়েমের সামনে নগর ব্যবস্থাপনা ও নাগরিক সেবার বিষয়গুলো গুরুত্বপূর্ণ। মেয়র নির্বাচিত হলে ঢাকাকে পরিকল্পিত ও পরিচ্ছন্ন নগরী হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্য রয়েছে বলে তিনি এক সাক্ষাৎকারে উল্লেখ করেছেন।
এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন, জলাবদ্ধতা নিরসন এবং পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের মতো বিষয়গুলো ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। তবে এসব খাতে তাঁর নির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন কৌশল সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে আনুষ্ঠানিক নির্বাচনী ইশতেহার বা সরাসরি বক্তব্যের প্রয়োজন রয়েছে।
পুরান ঢাকার নাগরিক সমস্যার সমাধানে নজর দেওয়ার দাবি
দয়াগঞ্জ ও ওয়ারীসহ পুরান ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় ঘনবসতি, সরু সড়ক, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, জলাবদ্ধতা ও জনস্বাস্থ্য নিয়ে নাগরিকদের নানা প্রত্যাশা রয়েছে। এসব সমস্যা সমাধানে নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা অভিযান, কার্যকর মশক নিধন, নর্দমা পরিষ্কার এবং এলাকাভিত্তিক জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
ডেঙ্গু প্রতিরোধে এ ধরনের উদ্যোগের পাশাপাশি নগরবাসীর দৈনন্দিন সমস্যা সমাধানে কার্যকর ও ধারাবাহিক পদক্ষেপ নেওয়ার প্রত্যাশা করছেন স্থানীয়রা।
সংশ্লিষ্টদের মতে, ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতা তৈরির পাশাপাশি পরিচ্ছন্ন ও স্বাস্থ্যকর নগর পরিবেশ নিশ্চিত করতে নাগরিকদের অংশগ্রহণ এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সমন্বিত উদ্যোগ জরুরি।
প্রতিবেদনটি ভালো লাগলে বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন
ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ বা এক্সে দ্রুত শেয়ার করতে ক্লিক করুন

